Revolutionary democratic transformation towards socialism

তাজিয়া মিছিলে বোমা-হামলার প্রতিবাদে সিপিবি-বাসদ এর বিক্ষোভ হামলাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের খুঁজে বের করা সরকারের দায়িত্ব


ঢাকায় তাজিয়া মিছিলের প্রস্তুতির সময় বোমা-হামলায় হতাহতের ঘটনার প্রতিবাদে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) ও বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ আয়োজিত বিক্ষোভ-সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, একের পর এক হামলার ঘটনা ঘটছে। সরকার হামলাকারী ও পৃষ্ঠপোষকদের খুঁজে বের করে বিচার করছে না। হামলা সম্পর্কে সরকারের পক্ষ থেকে নানা ধরনের দায়িত্বহীন কথা বলে পরিস্থিতি ঘোলাটে করা হচ্ছে। সরকার বারে বারে দাবি করছে যে, দেশে কোনো জঙ্গি নেই। কিন্তু কোনো হামলার ঘটনা ঘটলেই, সরকার ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে জঙ্গিদের দায়ী করা হচ্ছে। হামলাকারী ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের খুঁজে বের করে বিচার করা সরকারের দায়িত্ব। আজ ২৫ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য সাজ্জাদ জহির চন্দনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভ-সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন সিপিবি’র প্রেসিডিয়াম সদস্য আহসান হাবিব লাবলু, বাসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য বজলুর রশীদ ফিরোজ, সিপিবি’র কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাড. মণ্টু ঘোষ, বাসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটির

সদস্য রাজেকুজ্জামান রতন। সমাবেশটি পরিচালনা করেন সিপিবি’র ঢাকা কমিটির নেতা জাহিদ হোসেন খান। সমাবেশে নেতৃবৃন্দ বলেন, ঢাকায় তাজিয়া মিছিলে বোমা-হামলাকে বিচ্ছিন্ন করে দেখার সুযোগ নেই। এই ঘটনা কেবল চরম নিন্দনীয়ই নয়, তা চরম উদ্বেগেরও। আমাদের হাজার বছরের অসাম্প্রদায়িক ও গণতান্ত্রিক চর্চা ও মূল্যবোধের ওপর এই হামলা। এই হামলার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। রাষ্ট্র ও সরকারের পক্ষ থেকে সাম্প্রদায়িকতাকে যেভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করা হচ্ছে, তা বন্ধ করতে হবে। নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, তাজিয়া মিছিলে হামলার ঘটনা ভবিষ্যতের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির ইঙ্গিত দিচ্ছে। সাম্প্রদায়িক-জঙ্গি গোষ্ঠীকে কাজে লাগিয়ে সাম্রাজ্যবাদসহ দেশি-বিদেশি নানা অপশক্তি দেশে বিশেষ রাজনৈতিক পরিস্থিতি সৃষ্টি করে তাদের নীল নক্সা বাস্তবায়নে তৎপর রয়েছে। এসব ষড়যন্ত্র দেশবাসীকে রুখে দাঁড়াতে হবে। সমাবেশ শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল ঢাকার বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুরানা পল্টনে এসে শেষ হয়। বার্তা প্রেরক চন্দন সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগ

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন

Login to comment..