Revolutionary democratic transformation towards socialism

বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নিন এবং বন্যার্তদের সহায়তা দান করুন করোনা পরীক্ষায় ফি নেয়ার সিদ্ধান্ত বাতিল করুন

## সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতকে কার্যকর চাপ দিন ## পাটকল বন্ধের আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করুন বাম গণতান্ত্রিক জোট কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের এক সভা আজ ৩০ জুন ২০২০ জোটের সমন্বয়ক ও বাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য কমরেড বজলুর রশীদ ফিরোজ এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য রাখেন বাম জোটের কেন্দ্রীয় পরিচালনা পরিষদের সদস্য সিপিবি সভাপতি কমরেড মুজাদিুল ইসলাম সেলিম, সাধারণ সম্পাদক কমরেড শাহ আলম, বাসদ এর সাধারণ সম্পাদক কমরেড খালেকুজ্জামান, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাইফুল হক, বাসদ (মার্কসবাদী)’র সাধারণ সম্পাদক কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী কমরেড জোনায়েদ সাকি, কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক কমরেড মোশাররফ হোসেন নান্নু, গণতান্ত্রিক বিপ্লবী পার্টির সাধারণ সম্পদক কমরেড মোশরেফা মিশু, সমাজতান্ত্রিক আন্দোলনের আহ্বায়ক কমরেড হামিদুল হক। সভার এক প্রস্তাবে সুনামগঞ্জ ও দেশের উত্তরাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বন্যা মোকাবেলায় আগাম প্রস্তুতি নেয়া এবং বন্যার্তদের প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা প্রদানের জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানানো হয়। সভার অপর এক প্রস্তাবে করোনা সনাক্তকরণ পরীক্ষায় সরকারি হাসপাতালে ফি নির্ধারণের সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে গণবিরোধী এই সিদ্ধান্ত বাতিলের দাবি জানিয়েছেন। প্রস্তাবে বলা হয় এমনিতেই করোনা উপসর্গ গোপন করার প্রবণতা জনগণের রয়েছে বলে শোনা যায়। এর ওপর টেস্টে ফি লাগলে সাধারণ দরিদ্র জনগণ আর কেউ টেস্ট করাতে যাবে না। এতে করে করোনা সংক্রমণ বহুগুণে বেড়ে যাবে। ফলে সকল নাগরিকের করোনা টেস্ট ও চিকিৎসা রাষ্ট্রীয় দায়িত্বেই করতে হবে। সভার প্রস্তাবে ভারতের বিএসএফ কর্তৃক সীমান্তে অব্যাহতভাবে বাংলাদেশি হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলা হয় বিজিবি এবং বিএসএফ এর মধ্যে চুক্তি রয়েছে সীমান্তে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করবে না এবং ভারত বার বার বলছে সীমান্ত হত্যা বন্ধে তারা কার্যকর উদ্যোগ নেবে কিন্তু বিএসএফ ও ভারত সরকারের কোনো আশ্বাসই কাজে আসছে না। অপরদিকে বাংলাদেশের সরকারও নতজানু নীতি গ্রহণ করে সীমান্ত হত্যা বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ নিচ্ছে না। প্রস্তাবে সরকারের নতজানু নীতি পরিহার করে সীমান্ত হত্যা বন্ধে ভারতকে কার্যকর চাপ প্রয়োগ করার জন্য সরকারের প্রতি দাবি জানান। সভার অপর আরেক প্রস্তাবে রাষ্ট্রীয় পাটকল বন্ধের সরকারি সিদ্ধান্তের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে অবিলম্বে এই আত্মঘাতি সিদ্ধান্ত প্রত্যাহর করে পাটকলসমূহের আধুনিকায়নের দাবি জানানো হয়। প্রস্তাবে বলা হয়, ১২০০ কোটি টাকা হলে যেখানে পাটকল আধুনিকায়ন করা সম্ভব সেখানে ৬ হাজার কোটি টাকা দিয়ে কেন পাটকল বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এটা কি পাটকলের জমি, জায়গা লুটপাটকারীদের হাতে নামমাত্র দামে তুলে দেয়ার জন্য? প্রস্তাবে বলা হয় পাটকল বন্ধ হলে পাটকল শ্রমিক, পাটচাষী ও তাদের পরিবারসহ প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ দুর্ভোগে পড়বে। তাছাড়া করোনার কারণে অনেক মানুষ কর্মহীন হয়ে বেকার হচ্ছে, পাকটল বন্ধ করলে বেকারের মিছিলই বড় হবে। সমাজে অস্থিরতা আরো বাড়বে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন

Login to comment..