Revolutionary democratic transformation towards socialism

খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার গুটূদিয়ায় আর্থিক অনটনের কাছে হার মানা কুয়েট ছাত্র অন্তু রায়ের বাড়িতে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ পার্টি নেতৃবৃন্দ


আজ ৬ এপ্রিল দুপুরে খুলনা, ডুমুরিয়া উপজেলার গুটূদিয়ায় আর্থিক অনটনের কাছে হার মানা কুয়েট ছাত্র অন্তু রায়ের বাড়িতে সিপিবির সাধারণ সম্পাদক রুহিন হোসেন প্রিন্সসহ সিপিবি নেতৃবৃন্দ পরিবার পরিজনদের সাথে দেখা করেন।

এসময় সিপিবি খুলনা জেলার সাধারণ সম্পাদক এস এ রশিদ, শেখ আব্দুল হান্নান, অ্যাড. চিত্ত গোলদার, পূর্নেন্দু বিশ্বাস, দেলোয়ার হোসেন প্রমুখ নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

রুহিন হোসেন প্রিন্স অন্তুর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানান এবং পরিবারের পাশে থাকার প্রতিশ্রুতি দেন।

এ সময় অন্তুর পরিবারসহ স্থানীয় জনসাধারণ উপস্থিত হয়ে ক্ষোভ প্রকাশ

করে বলেন, আর্থিক অনটনের কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। কুয়েট কর্তৃপক্ষ সচেতন হয়ে ভূমিকা নিলে এধরনের ঘটনা ঘটতো না।

এসময় রুহিন হোসেন প্রিন্স বলেন, দিনমজুর পরিবারের মেধাবী সন্তান আর্থিক অনটনে আত্মহত্যা করবে, কুয়েট কর্তৃপক্ষ দায় নেবে না, এটা হতে পারে না। তিনি এবিষয়ে কুয়েট কর্তৃপক্ষের জবাব দাবি করেন।

তিনি বলেন, দেশে এতো উন্নয়ন এর গল্প শোনানো হয়, উন্নয়ন প্রকল্পের নামে দালান কোঠা বানানো হয়, অথচ অসচ্ছল পরিবারের শিক্ষার দায়িত্ব নেয়া হয় না। তরুণ প্রজন্মকে সমাজের প্রতি দায়িত্ববোধ ও মানবিক শিক্ষা দেওয়া হয় না। তিনি পুরো শিক্ষা ব্যবস্থা ঢেলে সাজানোর দাবি জানান।

তিনি অন্তুর পরিবারের স্বচ্ছলতা ও

একমাত্র বোন চৈতির পড়াশোনার ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সরকারের প্রতি আহ্বান জানান।

এসময় অন্তুর পরিবারকে পার্টির পক্ষ থেকে কিছু আর্থিক সহায়তাও করা হয়।

উল্লেখ্য, অন্তু রায়ের মা গীতা রায়, বাবা দেবব্রত রায় দিনমজুর। মাঠে কাজ করেন।

ঘরে ঘুমানোর জন্য একটি খাট, কখনও চার জন একসাথে ঘুমান বা রাতে কেউ কেউ বারান্দায় থাকেন। অন্তু ঘরের এক কোনায় ফাঁস নিয়েছে বলে জানা গেল। এত ছোট, নড়বড়ে ঘর, ফাঁস নেওয়ার জায়গা খুঁজে পাওয়া কঠিন!

অন্তুর একমাত্র ছোট বোন চৈতি মেধাবী ছাত্রী, এবার এসএসসি পরীক্ষা দেবে। খরচ বেশি তাই পরিবার তাকে বিজ্ঞান বিভাগে পড়াননি। চৈতি মানবিক বিভাগে পড়ছে।

Print প্রিন্ট উপোযোগী ভার্সন

Login to comment..