ঢাকা শহরের গরিব-মধ্যবিত্ত ৯৫%’র জন্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাস্তে মার্কায় ভোট দিন

Posted: 14 জানুয়ারী, 2020

### কাজীপাড়া বাসস্ট্যান্ডের পথসভায় সিপিবি’র মেয়র প্রার্থী ডা. আহাম্মদ সাজেদুল হক ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি মনোনীত কাস্তে মার্কার মেয়র প্রার্থী ডা. আহাম্মদ সাজেদুল হক (রুবেল) আজ ১৪ জানুয়ারি, মঙ্গলবার, বিকেলে কাজীপাড়া বাসস্ট্যান্ডে অনুষ্ঠিত পথসভায় বলেছেন, ঢাকা শহরের গরিব-মধ্যবিত্ত ৯৫% ’র জন্য নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করতে কাস্তে মার্কায় ভোট দিন। দুই কোটি মানুষের ঢাকা শহরে বিত্তবানদের জন্য সকল সুযোগ সুবিধা বিদ্যমান। কিন্তু ঢাকার ৯৫% মূল জনগোষ্ঠী হল গরিব-মধ্যবিত্ত। তাদের জন্য ঢাকা শহরে বসবাস দুঃসহ হয়ে পড়েছে। যানজট, জলাবদ্ধতা, দূর্বল পয়ঃনিষ্কাশন, মশা, ভাঙ্গা রাস্তা, অপরিকল্পিত গণপরিবহন, অপর্যাপ্ত খেলাধূলা, বিনোদন সব মিলিয়ে এক বিপর্যস্থ পরিস্থিতি। প্রতিবছর সিটি কর্পোরেশনের বাজেট বাড়ছে। কিন্তু জনগণের সেবার মান কমছে। বস্তি উন্নয়ন, কবরস্থান উন্নয়নে প্রতিবছর বাজেট আসে। কিন্তু সেই টাকা অনেকাংশে খরচ হয় না। মশা নিধনের ক্ষেত্রে চরম অব্যবস্থাপনা ঢাকার মানুষ এবছর প্রত্যক্ষ করেছে। একজন মেয়র ট্রাকে করে ময়লা এনে রাস্তায় ফেলে মিডিয়া ডেকে তারকাদের নিয়ে ময়লা পরিষ্কারের ফটোসেশন করেছেন। অথচ ঐ এলাকায় সবচেয়ে বেশি মানুষ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়েছে। জনগণের সাথে এক ধরনের প্রহসন করা হচ্ছে। আমরা নির্বাচিত হলে ঢাকার প্রকৃত নাগরিকদের নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে। তিনি আরো বলেন, নির্বাচনের দিন যত এগিয়ে আসছে পরিস্থিতি ততই নাজুক হচ্ছে। আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রতিযোগিতায় নির্বিকার নির্বাচন কমিশন। নির্বাচন কমিশন বলছে লিখিত অভিযোগ পেলে ওনারা দেখবেন। মনে হয় ওনাদের চোখ দিয়ে দেখার বা কান দিয়ে শোনার ক্ষমতা কোথাও বাধা পড়েছে। প্রতিদিন বিভিন্ন এলাকায় প্রকাশ্যে আওয়ামী লীগ-বিএনপির প্রার্থীরা নির্বাচনী মিছিল করছেন, সকাল থেকে মাইক প্রচার শুরু করছেন, রঙিন পোস্টার দেয়ালে সাঁটাচ্ছেন, কোথাও বা সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছেন। পত্রিকায়, মিডিয়িায় সেসব খবর বের হচ্ছে। ঢাকার ভোটাররাও তা চাক্ষুষ করছেন। অথচ নির্বাচন কমিশনের মোবাইল কোর্ট সেগুলো দেখেন না। আমরা ভোটারদের কাছে গিয়ে কথা বলছি, গণসংযোগ করছি। তাঁদের মধ্যে নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারা নিয়ে সংশয় রয়েছে। এ সংশয় দূর করার জন্য কমিশনকেই পদক্ষেপ নিতে হবে। যদিও সাধারণ ভোটররা সুষ্ঠু ও নিরাপদ পরিবেশে ভোট দিতে উন্মুখ হয়ে রয়েছে। তাঁরা বড় দুই দলের বিকল্প চায়। সিপিবি হচ্ছে সেই বিকল্প শক্তি। আজ ১৪ জানুয়ারি সেনপাড়া ১ নম্বর বিল্ডিং, মিরপুর ১০ নম্বর, সেনপাড়া আমতলা বাজার, মসজিদ মোড়, পূর্ব কাজিপাড়া, ভিশন মোড়ে গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ করা হয়। দুপুর ৩টায় প্রথমে কাজিপাড়া বাসস্ট্যান্ড ও শেওড়াপাড়ায় পথসভা অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে আরো বক্তব্য রাখেন, সিপিরি কেন্দ্রীয় কমিটির সহকারী সাধারণ সম্পাদক কমরেড সাজ্জাদ জহির চন্দন, কেন্দ্রীয় নেতা ডা. ফজলুর রহমান, আসলাম খান, যুব ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খান আসাদুজ্জামান মাসুম, সিপিবির কাফরুল থানার নেতা আলী কাউসার মামুন, আসাদুজ্জামান আজিম, গৌতম রায় প্রমুখ।