বর্ষবরণের দিন নারীর ওপর সহিংসতায় সিপিবি’র তীব্র ক্ষোভ ধারাবাহিক সহিংসতায় নারীর চরম নিরাপত্তাহীনতা স্পষ্ট হয়েছে

Posted: 15 এপ্রিল, 2015

বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)’র সভাপতি কমরেড মুজাহিদুল ইসলাম সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক কমরেড সৈয়দ আবু জাফর আহমেদ আজ এক বিবৃতিতে, গতকাল বর্ষবরণের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাসে নারীদের ওপর যে সহিংসতা চলেছে, তাতে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ দ্রুতই অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচার করার জোর দাবি জানিয়েছেন। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কালকের সহিংসতা বিচ্ছিন্ন কোন দুর্ঘটনা নয়। ধারাবাহিকভাবে নারীর ওপর যে সহিংসতা চলছে, কালকের সহিংসতা তারই অংশ। নারীর ওপর ধারাবাহিক নিপীড়ন, সহিংসতায় নারীর চরম নিরাপত্তাহীনতা আবারও স্পষ্ট হয়েছে। বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, নারীদের নিরাপত্তা বিধানে সরকার ব্যর্থ। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় একের পর এক সহিংস ঘটনা ঘটলেও, প্রশাসন কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারছে না। বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায়ই পুলিশের উপস্থিতিতে লেখক অভিজিৎ রায় খুন হয়েছিলেন। গতকালের ঘটনা আকস্মিক ছিল না। কিন্তু প্রশাসনের নেওয়া আগাম সতর্কতামূলক প্রস্তুতি যে কেবল কাগুজে ব্যাপার ছিল, সেটা আবারও স্পষ্ট হলো। পুলিশের উপস্থিতিতেই নারীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। এর আগে বইমেলায়ও নারীদের ওপর নানাভাবে নিপীড়ন হয়েছে বলে অভিযোগ আছে। অপরাধীদের গ্রেপ্তার করে বিচার করার ক্ষেত্রেও প্রশাসন ব্যর্থ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিপীড়ন চালানোর সময় কয়েকজন নিপীড়ককে ধরে পুলিশে সোপর্দ করলেও, পুলিশ তাদেরকে ছেড়ে দিয়েছে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নিপীড়করা চিহ্নিত হলেও, তাদেরকে এখনো গ্রেপ্তার করা হয়নি। পুলিশ-প্রশাসন কেন আক্রান্ত নারীকে রক্ষা না কওে নিপীড়ককে রক্ষা করছে? তবে কি সরকার চাইছে- নিপীড়নের ব্যবস্থা অব্যাহত থাকুক? বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, আক্রান্ত নারীদের রক্ষায় নিজেদের ওপর আক্রমণকে তুচ্ছ করে এবং আক্রান্ত হয়েও ছাত্র ইউনিয়নের নেতা-কর্মীরা যে সাহসী ভূমিকা পালন করেছেন এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ছাত্ররা ছাত্রলীগের সন্ত্রাসীদের যেভাবে প্রতিরোধ করেছেন, তা নিপীড়ন প্রতিরোধে সংগঠিত হওয়ার জন্য মানুষকে উজ্জীবিত করবে। বার্তা প্রেরক চন্দন সিদ্ধান্ত কেন্দ্রীয় দপ্তর বিভাগ